রায়েন্দা গ্রুপ সম্পর্কে

এক নদীতীরের জনপদের নাম। বিশ্বের কাছে এক প্রতিশ্রুতি।

রায়েন্দা নামের অধীনে যা কিছু গড়া হয়, তার সবকিছুর ছাতা-প্রতিষ্ঠান রায়েন্দা গ্রুপ — বিনিয়োগ, কৌশল ও ব্র্যান্ডের মালিকানা এখানেই।

আমাদের গল্প

কেন "রায়েন্দা"?

বাংলাদেশের সুন্দরবনে নদী আর ম্যানগ্রোভ বন
বলেশ্বর · সুন্দরবন

রায়েন্দা বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার একটি ছোট শহর — বলেশ্বর নদের তীরে, ঠিক যেখান থেকে সুন্দরবনের শুরু। আমাদের প্রতিষ্ঠাতা বড় হয়েছেন পাশের গ্রাম নলবুনিয়ায়; আমরা যা-ই গড়ি, এই জায়গাটাকে সঙ্গে নিয়েই গড়ি।

শুরুটা ছিল ছোট: একটি জাভা বাটন ফোন থেকে Wapka-তে বানানো প্রথম ওয়েবসাইট, তারপর BDTechStore — ফেসবুকে একটি টেক কমিউনিটি, একটি ইউটিউব চ্যানেল, আর Google Play-তে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। সবই নিজে নিজে শেখা, কারখানার চাকরির ফাঁকে ফাঁকে।

সবকিছু টেকেনি, কিন্তু দক্ষতাগুলো থেকে গেছে। এরপর বছরের পর বছর ক্লায়েন্টের কাজ — ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপ, বিকাশ ও নগদ থেকে SSLCommerz ও Stripe পর্যন্ত পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্টিগ্রেশন, আর IoT প্রকল্প। বছর ধরে ধরে পুরো বিবরণ আছে এই পেজের নিচের দিকে, মাইলফলক অংশে।

2026 সালে সবকিছু এক নামের নিচে এলো। rayenda.com ডোমেইন নিশ্চিত হলো, রায়েন্দা টেকনোলজিস হলো ফ্ল্যাগশিপ, আর একই উদ্যম নতুন ক্ষেত্রে নিয়ে যেতে গঠিত হলো রায়েন্দা গ্রুপ — সংবাদ, হোস্টিং, পেমেন্ট, মেসেজিং, স্মার্ট ডিভাইস, ইস্পোর্টস ও খেলাধুলা — এক নাম, এক রঙের পরিবার আর মানের এক মানদণ্ড নিয়ে। ট্যাগলাইনটা যেন নিজেই লেখা হয়ে গেল: রায়েন্দা থেকে বিশ্বে।

“নামটা এসেছে বাড়ি থেকে। রংগুলোও এসেছে বাড়ি থেকে। স্বপ্ন একটাই — বাড়িকে পৌঁছে দেওয়া সবখানে।”

— আল ইমরান, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
01

লক্ষ্য

আমরা কেন আছি।

বাংলাদেশ থেকে এমন পণ্য ও টিম গড়া, যা বিশ্বের যেকোনো জায়গায় প্রতিযোগিতা করতে পারে — আর তার সুফল ফিরিয়ে আনা দেশে।

একটি ছোট নদীতীরের শহর থেকেও যে বিশ্বমানের পণ্য আসতে পারে, সেটা প্রমাণ করতেই রায়েন্দা গ্রুপ। আমরা শুধু স্থানীয় বাজারের জন্য নয়, যেকোনো দেশের গ্রাহকের জন্য গড়ি — আর প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের মাপি সেরাদের সঙ্গে। গ্রুপের প্রতিটি কোম্পানির লক্ষ্য দেশে দক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করা, যাতে বাংলাদেশের মেধাবীদের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে দেশ ছাড়তে না হয়। আর গ্রুপ যা আয় করে তা বসে থাকে না: প্রতিটি মুনাফা আবার বিনিয়োগ হয় পরের কোম্পানিতে, পরের টিমে, পরের আইডিয়ায়।

সুন্দরবন · বাড়ি
সুন্দরবন · বাড়ি
02

স্বপ্ন

আমরা যেখানে যেতে চাই।

প্রযুক্তি, গণমাধ্যম, ফিনটেক, হার্ডওয়্যার, গেমিং ও খেলাধুলায় মানের জন্য পরিচিত একটি বাংলাদেশি গ্রুপ।

আমরা চাই, যে ক্ষেত্রেই যাই না কেন, রায়েন্দা নামের মানে যেন একটাই হয় — ভরসা করার মতো কাজ। লক্ষ্য এমন পণ্য, যা বিদেশের মানুষ দামের জন্য নয়, গুণের জন্য বেছে নেবে; আর এমন শক্তিশালী একটি গ্রুপ, যা মান না কমিয়েই একের পর এক নতুন কোম্পানি চালু করতে পারবে। ঠিকঠাক করতে পারলে মানচিত্রে রায়েন্দা থাকবে দুবার: একবার বলেশ্বরের তীরের শহর হিসেবে, আরেকবার সেই গ্রুপ হিসেবে, যে তার নাম পৌঁছে দিয়েছে বিশ্বে।

মহাকাশ থেকে দেখা সুন্দরবন উপকূল
মহাকাশ থেকে দেখা সুন্দরবন উপকূল
03

মূল্যবোধ

আমরা যেভাবে কাজ করি।

প্রতিটি কোটেশনে সততা, কোডের প্রতিটি লাইনে দায়িত্ববোধ, আর এমন শিকড় যা আমরা কখনো লুকাই না।

সততা সবার আগে: আমরা যে কোটেশন, ইনভয়েস বা সময়সীমা দিই, তা রাখার জন্যই দিই; কিছু পিছিয়ে গেলে আগেভাগেই জানাই। দায়িত্ববোধ মানে কোডের প্রতিটি লাইন আর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে একজনের নাম আছে — কেউ টিম বা প্রক্রিয়ার আড়ালে লুকায় না। আমরা আমাদের শিকড় কখনো লুকাই না; আমরা কোথা থেকে এসেছি সেটা ব্র্যান্ডেরই অংশ, ঘষেমেজে মুছে ফেলার কিছু নয়। আর গ্রুপের প্রতিটি কোম্পানিতে মানের মানদণ্ড একটাই — সেটা সংবাদ সাইট হোক, পেমেন্ট পণ্য হোক কিংবা কোনো হার্ডওয়্যার।

ম্যানগ্রোভের শিকড়
ম্যানগ্রোভের শিকড়

ব্র্যান্ড পরিচিতি

"নদী ও সুন্দরবন" রঙের প্যালেট।

রায়েন্দার প্রতিটি কোম্পানি একই পাঁচটি রং ব্যবহার করে। নীল সবার আগে; কমলা বিরল, আর ভেবেচিন্তে ব্যবহার করা।

#0B3D5C
বলেশ্বর নীল

প্রধান — লোগো, হেডার, সবখানে।

#116D66
সুন্দরবন সবুজ

দ্বিতীয় — বাটন ও লিংক।

#5FBFA0
গোলপাতা

হাইলাইট, হোভার ও আইকন।

#E8842C
বাঘ কমলা

শুধু কল-টু-অ্যাকশনে।

#F5F1E8
চরের বালি

ব্যাকগ্রাউন্ড ও নীলের ওপরের লেখা।

ওয়ার্ডমার্ক · হালকা
RAYENDA
শুধু লেখা
ওয়ার্ডমার্ক · গাঢ়
RAYENDA
নীলের ওপর বালুরঙ

মাইলফলক

যেখান থেকে এসেছি। যেখানে যাচ্ছি।

শরণখোলার একটি বাটন ফোন থেকে একগুচ্ছ কোম্পানি — সংক্ষেপে পুরো গল্প। এখানকার প্রতিটি ঘটনা পথের একটি সত্যিকারের বাঁক, কোনো প্রেস বিজ্ঞপ্তি নয়।

এর কিছুই হোয়াইটবোর্ডে পরিকল্পনা করে হয়নি। বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি চ্যানেল শিখিয়েছে নিজের প্ল্যাটফর্মের মালিক হওয়ার মূল্য, আর বাড়ির ছোট্ট একটি দোকান শিখিয়েছে গ্রাহককে কীভাবে সেবা দিতে হয়। ডিজাইন, ভিডিও, কোড, হার্ডওয়্যার — সবই শেখা হয়েছে কঠিন পথে; রায়েন্দা গ্রুপ হলো সেই সব শিক্ষার মিলনস্থল।

পথচলা শুরু
2012
কাজের বছর
14+
গ্রুপের কোম্পানি
10
  1. 2012–2013

    একটি জাভা বাটন ফোন থেকে Wapka-তে বানানো প্রথম ওয়েবসাইটগুলো, যেমন estrick.ml — ওয়েবের জন্য কিছু গড়ার শুরু।

  2. 2016

    BDTechStore — 2015 সাল থেকে ফেসবুকে চলা একটি টেক কমিউনিটি — ইউটিউবে যাত্রা শুরু করে।

  3. 2017

    দিনে Youngone Shoes Accessories Ind. Ltd.-এ কারখানার চাকরি, রাতে নিজে নিজে শেখা: ইউটিউব ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক ডিজাইন আর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট।

  4. 2019

    BDTechStore নামে প্রথম অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ প্রকাশিত হয় Google Play-তে — এরপর আসে আরও।

  5. 2020

    চ্যানেলটি 22,000 সাবস্ক্রাইবার ছাড়ায় — আর ঠিক শীর্ষে থাকা অবস্থায় বন্ধ হয়ে যায়; নিজের প্ল্যাটফর্মের মালিক হওয়ার এক কঠিন শিক্ষা। প্রতিষ্ঠাতা কারখানার চাকরি ছেড়ে শরণখোলায় বাড়ি ফিরে ব্যবসা শুরু করেন: ভাই ভাই টেলিকম।

  6. 2023

    ঢাকায় আসা: Farmland Venture Ltd-এ চিফ টেকনোলজি অফিসার হিসেবে যোগদান — অ্যাপ, ওয়েবসাইট, ডিজাইন ও আইটি সামলানো — আর এর মধ্যেই রায়েন্দার ভাবনা রূপ নিতে থাকে।

  7. 2026

    rayenda.com নিশ্চিত হয়, রায়েন্দা ব্র্যান্ড রূপ পায়। গঠিত হয় রায়েন্দা গ্রুপ; রায়েন্দা টেকনোলজিস হয় ফ্ল্যাগশিপ, রায়েন্দা নিউজ চালু হয় এবং group.rayenda.com যাত্রা শুরু করে। কোম্পানি নিবন্ধন (RJSC) প্রক্রিয়াধীন।

  8. এরপর

    রায়েন্দা হোস্ট, পে, পেআউট ও এসএমএস এখন তৈরি হচ্ছে; এরপর আসবে ওয়ালেট, ইস্পোর্টস, ইলেকট্রনিক্স ও স্পোর্টস — একটি একটি করে, যখন যেটি প্রস্তুত।

আল ইমরান, রায়েন্দা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
আল ইমরান
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
emran@rayenda.com

নেতৃত্ব

প্রতিষ্ঠাতার নেতৃত্বে, ডেভেলপারের মানসিকতায়।

রায়েন্দা গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন এর প্রতিষ্ঠাতা — একজন স্বশিক্ষিত ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার ও ডিজাইনার, যিনি কারখানার ফ্লোর থেকে CTO হয়েছেন; পথে তৈরি করেছেন অ্যাপ, বিকাশ থেকে Stripe পর্যন্ত পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন এবং IoT হার্ডওয়্যার। গ্রুপটি গড়া হয়েছে যেন সফটওয়্যার, গণমাধ্যম, হোস্টিং, ফিনটেকসহ প্রতিটি উদ্যোগ এক নাম ও এক মানদণ্ডের অধীনে বড় হতে পারে। তিনি এখনো রায়েন্দা টেকনোলজিসে নিজ হাতে কোড লেখেন। সিদ্ধান্ত হয় দ্রুত, আর মানের দায় ব্যক্তিগত।

প্রধান কার্যালয়
গুলশান, ঢাকা
শিকড়
শরণখোলা, বাগেরহাট
সব প্ল্যাটফর্মে
@rayendagroup
পূর্ণ প্রোফাইল
emran.rayenda.com

আমাদের সঙ্গে কাজ করুন

রায়েন্দা নামের অধীনে কিছু গড়তে চান?

অংশীদারত্ব, বিনিয়োগ, গণমাধ্যম কিংবা রায়েন্দার যেকোনো কোম্পানি নিয়ে প্রশ্ন — আমাদের লিখুন, আমরা সঠিক টিমের কাছে পৌঁছে দেব।